অধ্যক্ষর কথা

“ভালবেসে একে অপরের সেবা কর” এই মূলমন্ত্র নিয়ে ওয়াইডাব্লিউসিএ স্বাধীনতার পূর্ব সময় থেকে এই দেশে কাজ করছে। ওয়াইডাব্লিউসিএ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মধ্যে শিক্ষা প্রকল্প বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণভাবে গড়ে তোলার জন্য প্রথাগত শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি তার মেধা, মনন, চিন্তা ও চেতনার সঠিক বিকাশ এবং নৈতিকতাবোধ, মানবিক গুনাবলির উৎকর্ষ সাধন এই বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য। আমাদের এই লক্ষ্য অর্জনে ব্রতী রয়েছেন বিষয় ভিত্তিক দক্ষ, অভিজ্ঞ, ন্যায়পরায়ণ ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষকমন্ডলী। বিদ্যালয়টিতে নেতৃত্ব, পরিচালনা ও পরামর্শ প্রদানে রয়েছেন বাংলাদেশে ও ঢাকা ওয়াইডাব্লিউসিএ র কর্মকর্তাবৃন্দ। সম্মানিত অভিভাবক বৃন্দ বিদ্যালয়ের সকল কর্মকান্ডে আমাদের পাশে থাকেন। একটি বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য সরকারিভাবে যে সাহায্য সহযোগিতা ও দিক নির্দেশনার প্রয়োজন তার সবটুকুই আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পেয়ে থাকি। এই বিদ্যালয়ের উন্নতিকল্পে উল্লেখিত সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানাই।
এই ভাবে পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে পরস্পরকে ভালবেসে, সহানুভূতি ও সমানুভূতির মনোভাব নিয়ে সৎ ও ভাল মানুষ হয়ে বেড়ে উঠছে এটাই আমাদের পরম প্রাপ্তি। আশা করি তারা ভবিষ্যতে সুনাগরিক হয়ে দশের সেবা করবে ও দেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাদের মধ্য দিয়েই ওয়াইডাব্লিউসিএ বিদ্যালয়টির সুনাম একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা সৃষ্টিকর্তার কাছে “ দয়া করো যেন আমরা সকলে ভাল মানুষ হই” – এই দোয়া প্রার্থনা করে দিন আরম্ভ করে।
আসুন বিদ্যালয়ের সাথে জড়িত আমরা সকলে ভালমানুষ হই ও পরস্পরের সেবায় রত থাকি। পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদ আমাদের সঙ্গে থাকুন।

অনুভূতি মীর সিনহা
অধ্যক্ষ
ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়

নারী, যুবনারী ও শিশুদের উন্নয়নকল্পে গড়ে ওঠা ওয়াইডাব্লিউসিএ এক আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী নারী সংগঠন। এর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে শিক্ষা প্রকল্পটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়াইডাব্লিউসিএ নার্সারী স্কুলের সাফল্য ও চাহিদগার কারণে ১৯৯৬ সালে বিদ্যালয়টি নি¤œমাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীদ হয় এবং দ্রুতই মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে সুনাম অর্জন করে। এরপর ২০০৫ সালে বিদ্যালয়টি সগৌরবে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ব্যাপ্ত হয়।